নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সরকারি খরচ নিয়ে বিতর্ক। সাধারণত ভোটের সময় এলেই মিতব্যয়ী বাজেট ও ব্যয়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনা জোরদার হয়। কিন্তু এবার উল্টো চিত্র— অন্তর্বর্তী সরকারকেই দেখা যাচ্ছে নানা অপ্রয়োজনীয় খরচে যুক্ত হতে, যা নিয়ে উঠেছে সমালোচনার ঝড়।
অর্থনীতিবিদদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের মূল দায়িত্ব হওয়া উচিত স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজন ও প্রশাসনিক স্থিতি বজায় রাখা, নতুন প্রকল্প বা অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নয়। তবুও বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত ব্যয় ও অনুমোদনের খবরে নড়েচড়ে বসেছে বিশেষজ্ঞ মহল।
একজন অর্থনীতি বিশ্লেষক মন্তব্য করেন,
“শুধু নির্বাচনের সময় এলেই খরচের কথা উঠে আসে; কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, ব্যয়ের লাগাম টানার পরিবর্তে আরও খরচ বাড়ছে। এটা অর্থনৈতিকভাবে অস্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়।”
নাগরিক সমাজও প্রশ্ন তুলেছে, নির্বাচনের আগে এই ধরনের ব্যয় কতটা নৈতিক? অনেকেই মনে করছেন, অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের এই ধারা অব্যাহত থাকলে পরবর্তী সরকারের ওপর আর্থিক চাপ আরও বেড়ে যেতে পারে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, কিছু খাতের ব্যয় প্রশাসনিক প্রয়োজনে হলেও অনেক জায়গায় বিলাসী ও প্রদর্শনমূলক খরচের নজির দেখা গেছে, যা ভোটের সময় সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জোর দিচ্ছেন, এখনই ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা না গেলে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জনআস্থা— উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
নির্বাচন ২০২৫, অন্তর্বর্তী সরকার, সরকারি খরচ, অহেতুক ব্যয়, বাংলাদেশ নির্বাচন সংবাদ, ব্যয়ের সমালোচনা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা

Comments
Post a Comment