Skip to main content

Posts

অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রমে ‘চরম অসন্তুষ্ট’ ৯২ শতাংশ মানুষ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচালিত সাম্প্রতিক জরিপে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জনপ্রিয়তায় ধস। ১২ হাজার মানুষের অংশগ্রহণে পরিচালিত এই জরিপে ৯২ শতাংশই প্রকাশ করেছেন চরম অসন্তোষ। বিস্তারিত দেখুন। নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচালিত সাম্প্রতিক একটি জনমত জরিপে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জনপ্রিয়তায় বড় ধরণের ধসের চিত্র ফুটে উঠেছে। ‘দৈনিক আজকের কণ্ঠ’ নামক একটি পেজ থেকে পরিচালিত এই জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারীদের সিংহভাগই সরকারের বর্তমান কার্যক্রমে চরম বিরক্তি ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকারের পক্ষে সন্তুষ্টির হার এক অঙ্কের ঘরেও পৌঁছাতে পারেনি। জরিপের প্রেক্ষাপট ও পদ্ধতি গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে পরিচালিত এই জরিপে মোট প্রায় ১২,০০০ (১২ হাজার) ফেসবুক ব্যবহারকারী তাদের মতামত জানান। জরিপটির পদ্ধতি ছিল রিঅ্যাকশন ভিত্তিক। শর্ত অনুযায়ী: ‘হা-হা’ (Haha) রিঅ্যাকশন = চরম অসন্তুষ্ট ‘লাভ’ (Love) রিঅ্যাকশন = চরম সন্তুষ্ট ‘লাইক’ (Like) রিঅ্যাকশন = মোটামুটি সন্তুষ্ট ফলাফলের পরিসংখ্যান ও বিশ্লেষণ জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে সরকারের জনসমর্থনের একটি ন...
Recent posts

নির্বাচন সামনে, অথচ বাড়ছে অহেতুক খরচ — সমালোচনার মুখে অন্তর্বর্তী সরকার

  স্টাফ রিপোর্টার | ঢাকা | ৩১ অক্টোবর, ২০২৫ ইং নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সরকারি খরচ নিয়ে বিতর্ক। সাধারণত ভোটের সময় এলেই মিতব্যয়ী বাজেট ও ব্যয়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনা জোরদার হয়। কিন্তু এবার উল্টো চিত্র— অন্তর্বর্তী সরকারকেই দেখা যাচ্ছে নানা অপ্রয়োজনীয় খরচে যুক্ত হতে, যা নিয়ে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। অর্থনীতিবিদদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের মূল দায়িত্ব হওয়া উচিত স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজন ও প্রশাসনিক স্থিতি বজায় রাখা , নতুন প্রকল্প বা অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নয়। তবুও বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত ব্যয় ও অনুমোদনের খবরে নড়েচড়ে বসেছে বিশেষজ্ঞ মহল। একজন অর্থনীতি বিশ্লেষক মন্তব্য করেন, “শুধু নির্বাচনের সময় এলেই খরচের কথা উঠে আসে; কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, ব্যয়ের লাগাম টানার পরিবর্তে আরও খরচ বাড়ছে। এটা অর্থনৈতিকভাবে অস্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়।” নাগরিক সমাজও প্রশ্ন তুলেছে, নির্বাচনের আগে এই ধরনের ব্যয় কতটা নৈতিক? অনেকেই মনে করছেন, অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের এই ধারা অব্যাহত থাকলে পরবর্তী সরকারের ওপর আর্থিক চাপ আরও বেড়ে যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, কিছু খাতের ব্যয় প্রশাসনিক প্রয়োজনে হলেও অনেক জায়গায় বিলাসী ও প্র...

অবশেষে গুঞ্জন সত্যি হলো! ঢাকায় আসছেন অরিজিৎ সিং, কবে বসছে আসর?

 ঢাকায় আসছেন অরিজিৎ সিং অরিজিৎ সিং বাংলাদেশের অগণিত ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। বলিউডের সুরের জাদুকর অরিজিৎ সিং লাইভ কনসার্ট করতে ঢাকায় আসছেন। কবে, কোথায় অনুষ্ঠিত হবে এই মেগা ইভেন্ট? জানুন বিস্তারিত। মূল সংবাদ: অবশেষে সত্যি হলো কোটি ভক্তের স্বপ্ন! উপমহাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় শিল্পী অরিজিৎ সিং আসছেন বাংলাদেশে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গত কয়েক মাস ধরেই চলছিল নানা গুঞ্জন, তবে এবার বিশ্বস্ত সূত্র থেকে মিলেছে খবরের সত্যতা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে খুব শীঘ্রই ঢাকার মাটিতে পা রাখতে চলেছেন "তুম হি হো" খ্যাত এই শিল্পী। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বাংলাদেশের অরিজিৎ ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে বাঁধভাঙা উল্লাস। শেষবার তিনি [সাল উল্লেখ করুন, যদি জানা থাকে, যেমন: ২০১৪ সালে] ঢাকায় এসেছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর তার এই প্রত্যাবর্তন ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল। 🎶 কবে এবং কোথায় অনুষ্ঠিত হবে কনসার্ট? আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের শেষ দিকেই এই মেগা কনসার্টের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সম্ভাব্য সময়: [নভেম্বর/ডিসেম্বর] মাসের মাঝামাঝি কোনো এক সপ্তাহান্তে (Weekend) এই কনসার্ট অনুষ্ঠিত হতে পারে। সম্...

ইউনুস সরকারের এক বছর: ঋণ, লুটপাট ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার ভয়াবহ চিত্র - মোহাম্মদ আলী আরাফাত

ইউনুস সরকারের এক বছর: ঋণ, লুটপাট ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার ভয়াবহ চিত্র বললেন  “মোহাম্মদ আলী আরাফাত”। ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন সরকারের এক বছর পেরোতে না পেরোতেই দেশের অর্থনীতিতে নেমে এসেছে গভীর অস্থিরতা। জনগণকে “দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ” দেখানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসা এই সরকার আজ নিজেই অভিযুক্ত—অর্থনৈতিক লুটপাট, অদক্ষতা এবং অস্বচ্ছ নীতিনির্ধারণের অভিযোগে। 🔹 ‘১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার’—একটি অবাস্তব দাবি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নাকি প্রতি বছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো—এমন অভিযোগ এক বছর ধরে বারবার উচ্চারণ করে চলেছে ইউনুস সরকার। কিন্তু এত বড় অভিযোগের একটিও অকাট্য প্রমাণ আজ পর্যন্ত উপস্থাপন করা যায়নি। সরল অঙ্কেই বোঝা যায়, এই দাবি বাস্তবসম্মত নয়। যদি সত্যিই প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার করে পাচার হতো, তাহলে পুরো ১৫ বছরে মোট পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণ দাঁড়াত প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার । সেই হিসেবে জিডিপির আকার এখন ৬৮৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর কথা, অর্থাৎ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হতো ১০–১১ শতাংশ। অথচ আন্তর্জাতিক সংস্থার তথ্য বলছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ৬–৭ শতাংশ। তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়—যদি ই...