Skip to main content

অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রমে ‘চরম অসন্তুষ্ট’ ৯২ শতাংশ মানুষ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচালিত সাম্প্রতিক জরিপে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জনপ্রিয়তায় ধস। ১২ হাজার মানুষের অংশগ্রহণে পরিচালিত এই জরিপে ৯২ শতাংশই প্রকাশ করেছেন চরম অসন্তোষ। বিস্তারিত দেখুন। নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচালিত সাম্প্রতিক একটি জনমত জরিপে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জনপ্রিয়তায় বড় ধরণের ধসের চিত্র ফুটে উঠেছে। ‘দৈনিক আজকের কণ্ঠ’ নামক একটি পেজ থেকে পরিচালিত এই জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারীদের সিংহভাগই সরকারের বর্তমান কার্যক্রমে চরম বিরক্তি ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকারের পক্ষে সন্তুষ্টির হার এক অঙ্কের ঘরেও পৌঁছাতে পারেনি। জরিপের প্রেক্ষাপট ও পদ্ধতি গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে পরিচালিত এই জরিপে মোট প্রায় ১২,০০০ (১২ হাজার) ফেসবুক ব্যবহারকারী তাদের মতামত জানান। জরিপটির পদ্ধতি ছিল রিঅ্যাকশন ভিত্তিক। শর্ত অনুযায়ী: ‘হা-হা’ (Haha) রিঅ্যাকশন = চরম অসন্তুষ্ট ‘লাভ’ (Love) রিঅ্যাকশন = চরম সন্তুষ্ট ‘লাইক’ (Like) রিঅ্যাকশন = মোটামুটি সন্তুষ্ট ফলাফলের পরিসংখ্যান ও বিশ্লেষণ জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে সরকারের জনসমর্থনের একটি ন...

অবশেষে গুঞ্জন সত্যি হলো! ঢাকায় আসছেন অরিজিৎ সিং, কবে বসছে আসর?

 ঢাকায় আসছেন অরিজিৎ সিং

অরিজিৎ সিং

বাংলাদেশের অগণিত ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। বলিউডের সুরের জাদুকর অরিজিৎ সিং লাইভ কনসার্ট করতে ঢাকায় আসছেন। কবে, কোথায় অনুষ্ঠিত হবে এই মেগা ইভেন্ট? জানুন বিস্তারিত।

মূল সংবাদ:

অবশেষে সত্যি হলো কোটি ভক্তের স্বপ্ন! উপমহাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় শিল্পী অরিজিৎ সিং আসছেন বাংলাদেশে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গত কয়েক মাস ধরেই চলছিল নানা গুঞ্জন, তবে এবার বিশ্বস্ত সূত্র থেকে মিলেছে খবরের সত্যতা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে খুব শীঘ্রই ঢাকার মাটিতে পা রাখতে চলেছেন "তুম হি হো" খ্যাত এই শিল্পী।

এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বাংলাদেশের অরিজিৎ ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে বাঁধভাঙা উল্লাস। শেষবার তিনি [সাল উল্লেখ করুন, যদি জানা থাকে, যেমন: ২০১৪ সালে] ঢাকায় এসেছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর তার এই প্রত্যাবর্তন ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল।

🎶 কবে এবং কোথায় অনুষ্ঠিত হবে কনসার্ট?

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের শেষ দিকেই এই মেগা কনসার্টের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

  • সম্ভাব্য সময়: [নভেম্বর/ডিসেম্বর] মাসের মাঝামাঝি কোনো এক সপ্তাহান্তে (Weekend) এই কনসার্ট অনুষ্ঠিত হতে পারে।

  • সম্ভাব্য ভেন্যু: ভেন্যু হিসেবে ঢাকার [সম্ভাব্য ভেন্যু, যেমন: বসুন্ধরা আইসিসিবি এক্সপো জোন অথবা আর্মি স্টেডিয়াম]-এর কথা ভাবা হচ্ছে। দর্শক ধারণক্ষমতা এবং শিল্পীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই বড় ভেন্যু বেছে নেওয়া হচ্ছে।

🎟️ টিকিটের দাম এবং প্রাপ্যতা

ভক্তদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন— কবে মিলবে টিকিট এবং দাম কত?

আয়োজকরা জানিয়েছেন, এখনো তারিখ চূড়ান্ত না হওয়ায় টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। তবে খুব শীঘ্রই একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে 'অরিজিৎ সিং লাইভ ইন ঢাকা' কনসার্টের আনুষ্ঠানিক তারিখ, ভেন্যু এবং টিকিটের মূল্য তালিকা ঘোষণা করা হবে।

ধারণা করা হচ্ছে, টিকিটের মূল্য [একটি সম্ভাব্য রেঞ্জ, যেমন: ২০০০ টাকা থেকে ১৫০০০ টাকা] পর্যন্ত হতে পারে এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে (যেমন: ভিআইপি, জেনারেল, ফ্যান জোন) টিকিট ছাড়া হবে। টিকিট পাওয়া যাবে [সম্ভাব্য টিকিট পার্টনার, যেমন: Tickify বা Shohoz]-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে।

কেন এবারের আসর এতটা বিশেষ?

অরিজিৎ সিং শুধু একজন গায়ক নন, তিনি তার লাইভ পারফরম্যান্সের জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। "কেশরিয়া," "হাওয়ায়ে," "চাল্ল্যায়া" কিংবা তার ক্লাসিক সব হিট গান লাইভ শুনতে পারা ভক্তদের জন্য এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা। এবারের ঢাকা কনসার্টে তিনি তার নতুন এবং পুরোনো সব হিট গান নিয়েই মঞ্চ মাতাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আয়োজক প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানিয়েছেন, "আমরা অরিজিৎ সিংকে ঢাকায় আনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছিলাম। আশা করছি, এটি হতে যাচ্ছে ২০২৩/২৪ সালের সেরা মিউজিক্যাল ইভেন্ট।"

অরিজিৎ সিং-এর এই কনসার্ট ঘিরে ভক্তদের উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক তারিখ ঘোষণার অপেক্ষা।


নোটিশ: এই খবরটি বর্তমান সময়ে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। পরবর্তী কোনো অফিসিয়াল ঘোষণা আসতে পারে যা এখনকার তথ্যের তুলনায় পরিবর্তিত হতে পারে।

Comments

Popular posts from this blog

অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রমে ‘চরম অসন্তুষ্ট’ ৯২ শতাংশ মানুষ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচালিত সাম্প্রতিক জরিপে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জনপ্রিয়তায় ধস। ১২ হাজার মানুষের অংশগ্রহণে পরিচালিত এই জরিপে ৯২ শতাংশই প্রকাশ করেছেন চরম অসন্তোষ। বিস্তারিত দেখুন। নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচালিত সাম্প্রতিক একটি জনমত জরিপে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জনপ্রিয়তায় বড় ধরণের ধসের চিত্র ফুটে উঠেছে। ‘দৈনিক আজকের কণ্ঠ’ নামক একটি পেজ থেকে পরিচালিত এই জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারীদের সিংহভাগই সরকারের বর্তমান কার্যক্রমে চরম বিরক্তি ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকারের পক্ষে সন্তুষ্টির হার এক অঙ্কের ঘরেও পৌঁছাতে পারেনি। জরিপের প্রেক্ষাপট ও পদ্ধতি গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে পরিচালিত এই জরিপে মোট প্রায় ১২,০০০ (১২ হাজার) ফেসবুক ব্যবহারকারী তাদের মতামত জানান। জরিপটির পদ্ধতি ছিল রিঅ্যাকশন ভিত্তিক। শর্ত অনুযায়ী: ‘হা-হা’ (Haha) রিঅ্যাকশন = চরম অসন্তুষ্ট ‘লাভ’ (Love) রিঅ্যাকশন = চরম সন্তুষ্ট ‘লাইক’ (Like) রিঅ্যাকশন = মোটামুটি সন্তুষ্ট ফলাফলের পরিসংখ্যান ও বিশ্লেষণ জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে সরকারের জনসমর্থনের একটি ন...

Nepal’s Main Political Parties Demand Restoration of Dissolved Parliament.

Kathmandu, Nepal — Following weeks of intense anti-corruption protests that toppled the government, Nepal’s major political parties have demanded the reinstatement of the recently dissolved parliament. In a joint statement, eight parties including the Nepali Congress, CPN-UML, and Maoist Center accused President Ram Chandra Paudel of acting unconstitutionally by dissolving the House of Representatives on Friday, on the advice of newly appointed Prime Minister Sushila Karki . The dissolution of parliament was one of the key demands during the anti-government demonstrations. However, opposition leaders now argue that the President’s move contradicts established judicial precedents in Nepal and undermines democratic order. Violent Protests and Rising Unrest The unrest began after the government imposed a nationwide ban on popular social media platforms such as Facebook, WhatsApp, and Instagram . Protests quickly escalated, leaving more than 50 people dead in violent clashes with riot ...

‘এনসিপির গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’’ বিলুপ্ত হচ্ছে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস) বিলুপ্ত করা হচ্ছে। গতকাল ইত্তেফাকের প্রথম পাতায় প্রকাশিত খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভরাডুবির পর এনসিপির নির্বাহী কাউন্সিলের সভায় বেশিরভাগ নেতা গভীর হতাশা প্রকাশ করেন। সভার পর্যালোচনায় উঠে আসে— রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার অভাব, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ এবং প্রচারণায় নানা কৌশলগত ত্রুটি থাকলেও মূলত অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও গ্রুপিংই বাগছাসের এই ব্যর্থতার জন্য দায়ী। তবে দলীয় সূত্র জানায়, এ নির্বাচন থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা কাজে লাগিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যেই ছাত্র সংগঠনটি পুনর্গঠন করা হবে। সে লক্ষ্যে বাগছাসের বর্তমান নাম ও কাঠামো বিলুপ্ত করে নতুনভাবে কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ডাকসু নির্বাচনে নিজেদের সমর্থিত প্যানেলের মাধ্যমে বিজয় ছিনিয়ে এনে জাতীয় রাজনীতিতে শক্তি ও সক্ষমতা প্রমাণ করতে চেয়েছিল এনসিপি। কিন্তু প্রত্যাশিত ফলাফল না পাওয়ায় দলটি এখন কিছুটা চাপের মুখে পড়েছে।